জীবনের বিনিময়ে পাওয়া ধানের ‘ভাত’ কিভাবে খাবে স্বজনরাজীবনের বিনিময়ে পাওয়া ধানের ‘ভাত’ কিভাবে খাবে স্বজনরা – বিডি রাইট
শিরোনামঃ
বৌভাতের দিন বরের মৃত্যু, স্বামীর মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে নববধূ অপশক্তি মোকাবেলা করে ইসলামের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে: মামুনুল হক আমার সম্পর্ক বা বিয়ে নিয়ে একটা কথাও বলব না: শ্রাবন্তী মারা যাওয়ার পর গলায় ব্যান্ডেজ বেঁধে মেকআপ করে ফিরে এলো জবা ভ্যানচালক শিশু শম্পার পরিবারের সব দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী বোরকা পরা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর: ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রেমের বিয়ের ৭ মাস পর লাশ হলেন স্ত্রী, পালিয়ে গেছেন স্বামী যে কারনে জীবন দিল জান্নাতুল হাসিন মামুনুল হক ও বাবুনগরীকে গ্রেফতারের দাবি জানালেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী রাতে ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরেই ঘুম, সকালে উঠে ৯ তলা থেকে লাফ!
জীবনের বিনিময়ে পাওয়া ধানের ‘ভাত’ কিভাবে খাবে স্বজনরা

জীবনের বিনিময়ে পাওয়া ধানের ‘ভাত’ কিভাবে খাবে স্বজনরা

এ যেন লা’শের মিছিল। চাঁপাইনবাবগঞ্জের শি’বগঞ্জ উপজে’লার সোনা ম’সজিদ স্থলবন্দরের পাশেই বালিয়াদিঘী গ্রাম। এশার পর এক এক করে ম’রদেহগুলো কবরস্থানে নিয়ে যাচ্ছে স্বজন ও এলাকাবাসী। বসবাস, দুর্ঘ’টনা, জানাজা ও কবরস্থান এক সঙ্গে একই এলাকায়।

 

কেউ ছিলেন মৌসুমি শ্রমিক, কেউ নিয়মিত। বাড়ি থেকে ৭৩ কিলোমিটার দূরে গিয়েছিলেন একসাথে শ্রমিক হিসেবে ধান কাটতে। ২২ দিন আগে একই গ্রামের ১৫ জন গিয়েছিলেন। সেই ১৫ জনই একসাথে বাড়ি ফেরার পথে বাড়ি পৌঁছানোর দুই কিলোমিটার দূরত্বে প্রা’ণ হারায় বাবা ছে’লেসহ আটজন।

 

ডিগ্রি পরীক্ষার্থী ছিলেন মিজানুর রহমান মিলু। আটজনের মধ্যে মিলুসহ তিনজনের বিয়েও হয়েছিল কয়েক মাস আগে। তিন অন্তসত্ত্বা গৃহবধূ হলো বিধবা। নি’হত আহাদের ৪ মাসের নববধূ আসমা, মিজানুর রহমান মিলুর নববধূ আ’মেনা বেগম ও মিঠুনের নব বিবাহিতা স্ত্রী’ হয়ে গেল বিধবা। একই গ্রামের ওরা আটজনের ভাগের ধান নিয়ে ফিরলেও, ফেরেনি তাদের প্রা’ণ। জীবনের বিনিময়ে পাওয়া ধানের ‘ভাত’ কিভাবে খাবে স্বজনরা।

 

এ ঘটনায় বালিয়াদিঘী গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারীতে দেখতে যাওয়া মানুষদের চোখেও নেমে আসে পানি। লা’শ কবরস্থানে ম’রদেহের খাটিয়া নিয়ে যেতে গ্রামের মানুষদের সাথে যোগ দেয় পাশের গ্রামের মানুষ। একই সাথে পাশাপাশি সাতজন চীরনিদ্রায় শায়িত হলেন।

 

দায়পুকুরিয়া ইউনিয়নের বারিকবাজার-সোনাপুর ভাঙ্গাসাকো এলাকায় রাস্তার পাশে খাদে পড়ে নসিমন উল্টে যায়। ধানের বস্তার নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই সাতজন ও পরে একজন মা’রা যান। প্রা’ণে বেঁচে যাওয়া আ’হত এমা’রুল ইস’লাম ও আলিম হোসন বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চল থেকে ধানকা’টা শেষে মজুরির ১৫০ মণ ধান নিয়ে নসিমনযোগে চালকসহ আম’রা ১৬ জন বাড়ি ফিরছিলাম। আমি ও আরেকজন সামনের সিটে বসে ছিলাম। পথে সোনাপুর গ্রামের ভাঙা রাস্তায় পৌঁছলে বামে সড়কের পাশে গর্তের পানিতে পড়ে উল্টে যায় নসিমনটি। তাতেই সব শেষ।

খবরটি শেয়ার করুন





© ২০২০ | বিডি রাইট কর্তৃক সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত
Design BY NewsTheme